আশরাফ বিন ইউছুপ, সিবিএন
কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পুলিশের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরে কথিত রাইটারদের কার্যক্রম পরিচালনা এবং মামলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। কথিত রাইটাররা হলেন- সাইফুল, আনোয়ার, আরাফাত ও শাহিন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, রাইটার পরিচয়ে এসব ব্যক্তি পুলিশের উপপরিদর্শকদের (এসআই) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলা-সংক্রান্ত কার্যক্রমে যুক্ত থাকেন। এমনকি থানার মামলা-সংক্রান্ত তথ্য ও গোপনীয় নথি বাইরে সরবরাহ করেন।
মামলাও অভিযোগ সংক্রান্ত কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনেরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
সরকারি বিভিন্ন ডকুমেন্টের গোপনীয়তা রক্ষার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল মন্নান জানিয়েছেন, থানায় বেসরকারি লোকের কাজ করার সুযোগ নেই। অনিয়ন্ত্রিত ব্যক্তি দায়িত্বশীল চেয়ারে বসে কাজ করলে থানার গোপনীয়তা থাকবে না। থানায় ব্যক্তিগত রাইটার আইনে সাপোর্ট করে না। এটি আইনগত অপরাধ।
অভিযুক্ত বিষয়ে সাইফুলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পরে তিনি অকথ্য ভাষায় কথা বলে ফোন কেটে দেন। অন্যান্য অভিযুক্তদের ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
